Popular Posts

Tuesday, October 9, 2012

Facebook Like Button For Blogger





This Tutorial will help you in adding a Facebook Like Button For Blogger. Facebook has come up with a new set of Social plugins which enable you to provide engaging social experiences to your users with just a line of HTML. The Facebook Like Button is One of them. You can see a demo of the like button on this page. The Facebook like button will allow your readers to quickly share your posts with their Facebook Friends. You can also get to know how many people liked your Blog Post .This tutorial will teach you to add a Facebook Like button for Blogger

How to Add the Facebook Like Button Below every Post

http://www.eqbalhossain31.blogspot.com

1. First Generate the Facebook code using the options below. (Code will be updated with these details)
Button Type
Text on Button
Show Send Button
Color Scheme
Font
Float
Location of the Button
Display
<div>
<b:if cond='data:post.isFirstPost'> 
<script>(function(d){
  var js, id = 'facebook-jssdk'; if (d.getElementById(id)) {return;}
  js = d.createElement('script'); js.id = id; js.async = true;
  js.src = "//connect.facebook.net/en_US/all.js#xfbml=1";
  d.getElementsByTagName('head')[0].appendChild(js);
}(document));</script>
</b:if> 
<fb:like expr:href="data:post.canonicalUrl" layout='standard' send='true' show_faces='false' font="arial" action="like" colorscheme="light"></fb:like>
</div>
2. Copy the Above code. Login to your Blogger Account and go to Design > Edit HTML and click on the check box which says “Expand Widget Templates
3. Look for <data:post.body/> and immediately below that place the copied code.
4.Next you have to add the fb namespace to your template tag.Your template should have the specification for the fb tag that you have used. The following namespace declaration will take care of that. To declare the namespace, find
<html
and change it to
<html xmlns:fb="https://www.facebook.com/2008/fbml"
The following screenshot will help you out.
image This is necessary for all FBML widgets using the fb tag.  So if you have already added the namespace while adding some other FB plugin, then you can skip this.
4. Now Save the template and you should see the Like Button near each of your posts. You are done :)
Do you feel that the Like Button is boring and not so likable? – Then checkout the Facebook Like box, a styled version of the Like Button which would definitely bring you more “Likes” Also Check out :

How to Delete a Facebook Page


 Since this tutorial’s original publication in early 2011, it has been one of the most-read posts at Blogging Bistro, receiving an average of 2,400+ page views per month.


 

 

So when one of my readers suggested that I update the tutorial to include the page deletion instructions for Facebook’s Timeline, I listened.

 

 

Here is the new and improved version of “How to Delete a Facebook Fan/Business Page”:

1.  Log in to your Facebook account.
2.  Click the downward-facing arrow that’s located in the upper righthand area of your screen. Under “Use Facebook As,” click the name of the page you plan to delete.

3.  Your page’s Admin Panel will probably open automatically, but if it doesn’t, click “Admin Panel,” located in the upper righthand corner of your screen, directly above the Timeline.

4.  From the “Manage” tab, click “Edit Page.”

5.  In the lefthand sidebar, click “Manage Permissions.”

6.  Scroll down. Directly above the “Save Changes” button, you’ll see “Delete Page.” The link to the page you’re on will display next to it. Click that link.
7.  A pop-up notice will inform you that if you delete your page, you’ll be able to restore it within 14 days. (Unsure whether that means 14 calendar days or 14 business days.)

8.  After that, you’ll be asked to confirm that you want to permanently delete your page.
If you aren’t certain whether you want to permanently delete your page, but you want to “unpublish” it (in other words, make it private so only the page admins can view it), click the “Unpublish this page” radio button.
Another potentially less risky way to unpublish your page without completely deleting it is to go to the top of the “Manage Permissions” area. Next to the “Page Visibility” heading, click the radio button that says “Unpublish Page.” Then click “Save Changes” at the bottom of your screen.
9.  If you’re certain you want to initiate the page deletion process, take a deep breath and click “Delete Page.”

Print This Tutorial

For easy reference, print this post by clicking the “Printable PDF” button directly below the post. It will create a nicely formatted PDF you can download, save, share, and keep on hand forever… or until you delete your Facebook page.

Monday, October 8, 2012

Immigration & Student's Consultation




বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত কিছু তথ্য (আইইএলটিএস, টোফেল, স্যাট সহ বিশ্বের কয়েকটি দেশে পড়তে যাওয়ার তথ্য)

Immigration And Consultation, Immigration, I and Co ETCImmegration and consultation


অনেকে খুব অল্প বয়েসেই সন্তানকে বিদেশে পাঠান লেখাপড়ার জন্য। কিন্তু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে পড়াশোনার জন্য বিদেশে যাওয়ার ঘটনা ঘটে প্রধানত উচ্চ মাধ্যমিকের গন্ডি পেরোনার পর। অবশ্য কেবল আন্ডারগ্রাজুয়েট পর্যায়ে নয়, পোস্ট গ্রাজুয়েট বা ডক্টরেট করতেও বিদেশে যান অনেকে।
দেশের বাইরে পড়াশোনার এই যে স্বপ্ন, সেটি বাস্তবায়নের জন্য বেশ আগে থেকে প্রস্তুতি প্রয়োজন। বিশেষত কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল নয়, ভালো একটা গাঁথুনিও দরকার বলে মত দেন অভিজ্ঞরা। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড প্রভৃতি দেশে প্রধান ভাষা ইংরেজী হওয়ায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিশেষ অসুবিধা হয় না। কিন্তু চীন, জাপান, রাশিয়া, ফ্রান্স বা জার্মানীর মত দেশগুলোয় প্রধান ভাষা ইংরেজী নয়। অনেক ক্ষেত্রে এসব দেশে পড়তে যেতে হলে ঐ দেশের ভাষাটা শিখে গেলে সুবিধা হয়। কিন্তু এসব দেশেও ইংরেজীতে পড়াশোনার সুযোগ রয়েছে।
ইংরেজীতে দক্ষতা যাচাই করার জন্য বিশ্বজুড়ে দু’টি পদ্ধতি প্রচলিত আছে, একটি আইইএলটিএস এবং অন্যটি টোফেল। যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়ার মত কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোতে পড়তে যেতে চাইলে ইংরেজীতে দক্ষতার প্রমাণ হিসেবে আইইএলটিএস স্কোরের তথ্য দিতে হয় আর যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা প্রভৃতি দেশে টোফেল স্কোর প্রয়োজন হয়। কোন কোন দেশে দু’টি পদ্ধতিই গ্রহণযোগ্য। আর এসব স্কোর দু’বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকে।
বিদেশে উচ্চ শিক্ষার প্রস্তুতি
• প্রথম প্রস্তুতি হতে পারে পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে প্রস্তুত করা। কারণ কেবল পরীক্ষায় ভালো ফল নয় সত্যিকার শিক্ষাটা কাজে আসবে এখানে। ইংরেজীতে দক্ষতা থাকতে হবে। তবে চীন, জাপান, জার্মানী, ফ্রান্স এসব দেশে যেতে চাইলে ঐ দেশের ভাষাটা শিখে নেয়া ভালো।
• সকল শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট ইংরেজীতে করিয়ে নিতে হবে।
• পাসপোর্টে যাতে কোন সমস্যা না থাকে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট হওয়া দরকার।
• যে বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি হতে চাইছে তার খরচ বহন করা তার পক্ষে সম্ভব কিনা সেটা আগে থেকেই যাচাই করা উচিত। যদি কর্তৃপক্ষ মনে করে ব্যয়ভার বহন করা শিক্ষার্থীর পক্ষে সম্ভব নয়, তাহলে ভিসা মিলবে না।
• GRE, SAT, GMAT এবং IELTS বা TOFEL-এ ভালো স্কোর না থাকলে বিদেশে পড়াশোনার চেষ্টা করে লাভ নেই। বিশেষত বৃত্তি যে মিলবে না এটা নিশ্চিত।
• কোন এডুকেশন কনসালটেন্সি ফার্মের মাধ্যমে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে চাইলে আগে তাদের সম্পর্কে খোঁজ খবর নেয়া উচিত।
বিভিন্ন দেশে খরচ বিভিন্ন রকম। ইউরোপ বা আমেরিকায় স্নাতক পর্যায়ে পড়াশোন করতে চাইলে বছরে আট থেকে দশ লাখ টাকা গুণতে হবে। ইংরেজী মাধ্যমে পড়াশোনা করতে হলে আইইএলটিএস স্কোর ৫.৫ থেকে ৬.৫ এবং ইন্টারনেট বেজড টোফেল স্কোর ৬০ থেকে ১০০ পর্যন্ত প্রয়োজন হবে। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন মাত্রায় স্কোর চাওয়া হয়। আর শিক্ষার্থী পড়াশোনার ব্যয়ভার বহনে সক্ষম এটা প্রমাণের জন্য ব্যাংক সলভেন্সি সার্টিফিকেট তো লাগবেই। বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা করতে যাওয়ার অনেক সুবিধা, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রতিমাসেই বিদেশী বৃত্তির খবর থাকছে আর ঢাকা গাইডের স্কলারশীপ বিভাগও দেখতে পারেন।
যুক্তরাজ্যে পড়াশোনার তথ্যের জন্য কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সাইট:
http://www.ukcisa.org.uk
http://www.ucas.com
http://www.educationuk.org
যুক্তরাজ্যের অনুমোদিত কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকা পাওয়া যাবে Click This Link সাইটে।
অস্ট্রেলিয়ায় পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে http://studyinaustralia.gov.au সাইটে
কানাডায় উচ্চশিক্ষার প্রয়োজনীয় তথ্য মিলবে Click This Link সাইটে
আইইএলটিএস
ইন্টারন্যাশনাল ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ টেস্টিং সিস্টেম সংক্ষেপে আইইএলটিএস নামে পরিচিত। প্রায় ২১ বছর আগে এই পদ্ধতি চালু হয়। বৃটিশ কাউন্সিল, আইডিপি, আইইএলটিএস অস্ট্রেলিয়া এবং কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যারয় যৌথভাবে এর তদারক করে। বিশ্বের ১৩৫টির বেশি দেশে সাত হাজারেরও বেশি প্রতিষ্ঠান আইইএলটিএ-কে স্বীকৃতি দেয়। এখানে চারটি দক্ষতার (লেখা, বলা, শোনা, পড়া) পরীক্ষা নেয়া হয়। ওয়েবসাইট: http://www.ielts.org
বাংলাদেশ আইইএলটিএস প্রস্তুতির জন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিশেষ কোর্স রয়েছে; যার মধ্যে বৃটিশ কাউন্সিল এবং সাইফুর’স এর নাম উল্লেখযোগ্য। আর পরীক্ষা আয়োজন কর বৃটিশ কাউন্সিল। বৃটিশ কাউন্সিলের ওয়েবসাইট: http://www.britishcouncil.org/bangladesh
টোফেল
টেস্ট অব ইংলিশ এ্জ এ ফরেন ল্যাঙ্গুয়েজ সংক্ষেপে টোফেল নামে পরিচিত। এখানেও চারটি দক্ষতার (লেখা, বলা, শোনা, পড়া) পরীক্ষা নেয়া হয়। ১৩০টির বেশি দেশে সাড়ে আট হাজারের বেশি প্রতিষ্ঠানে টোফেল স্কোরকে স্বীকৃতি দেয়া হয়। দু’ধরনের টেস্ট নেয় হয়, এটি ইন্টারনেট বেজড টেস্ট অন্যটি পেপার বেজড টেস্ট। ইন্টারনেট বেজড টেস্ট বছরে ৩০ থেকে ৪০ বার নেয়া হয় আর পেপার বেজড টেস্ট বছরে ছয়বার নেয় হয়। ইন্টারনেট বেজড টেস্ট নেবার জন্য সারা বিশ্বে সাড়ে চার হাজারের বেশি কেন্দ্র রয়েছে। যেসব জায়গায় ইন্টারনেট বেজড টেস্ট নেবার সুবিধা নেই সেসব জায়গাতেই কেবল পেপার বেজড টেস্ট নেয়া হয়। ওয়েবসাইট: http://www.ets.org/toefl/
স্যাট
কোন শিক্ষার্থী কলেজে পড়াশোনার জন্য কতটা প্রস্তুত তার পরীক্ষা হয় স্যাট টেস্টের মাধ্যমে। স্কুল পর্যায়ে ইংরেজী পড়া, লেখা এবং গণিতে অর্জিত দক্ষকার পরীক্ষা নেয়া হয় এখানে। ওয়েবসাইট: http://sat.collegeboard.org/home
জার্মানীতে পড়াশোনা
জার্মানী ইউরোপের অন্যতম সমৃদ্ধ দেশ হলেও অনেকে পড়াশোনার জন্য জার্মানী যেতে ভয় পান। তবে জার্মানী যেতে হলে জার্মান ভাষা শিখতেই হবে তা নয়। জার্মানীতে আন্ডারগ্রাজুয়েট এবং গ্রাজুয়েট পর্যায়ে যেসব আন্তর্জাতিক কোর্স রয়েছে সেগুলোতে ইংরেজীতে পড়াশোনা করা যায়। জার্মানীর আন্তর্জাতিক কোর্সগুলোর বিস্তারিত তালিকা পাওয়া যাবে http://www.daad.de/idp সাইটে। জার্মানীর ১৬টি রাজ্যের প্রায় সবগুলো মরকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলয়ে টিউশন ফি প্রত্যাহার করে নেয়া হচ্ছে। টিউশন ফি নেয়া হলেও তা ৫০০ ইউরোর বেশি নয়। আন্ডারগ্রাজুয়েট এবং পোস্ট গ্রাজুয়েট সব পর্যায়েই এ নিয়ম প্রযোজ্য। অবশ্য বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য এ নিয়ম প্রযোজ্য নয়। তবে এখানকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় জার্মানী, ইউরোপ বা ইউরোপের বাইরের শিক্ষার্থীদের জন্য কোন আলাদা নিয়ম অনুসরণ করা হয় না। অর্থাৎ সবার ক্ষেত্রেই খরচ সমান। জার্মানীতে এখন পিএইচডি এবং ডক্টরাল কোর্সের জন্য কোন টিউশন ফি লাগে না। জার্মানীতে জীবনযাত্রার ব্যায় ইউরোপের গড় জীবনযাত্রার ব্যায়ের বেশ কাছাকাছি, অন্যকথায় ইউরোপের অন্যান্য সমৃদ্ধ দেশের তুলনায় এখানে জীবনযাত্রার ব্যায় বেশ কম। জার্মানীতে প্রতি শিক্ষাবর্ষ দু’ভাগে ভাগ করা হয়; শীতকালীন সেমিস্টার অক্টোবরে আর গ্রীষ্মকালীন সেমিস্টার এপ্রিলে শুরু হয়।
জার্মানীতে পড়াশোনা এবং গবেষণা সংক্রান্ত আরও তথ্য পাওয়া যাবে http://www.daad.de/deutschland/index.en.html সাইটে, আর বৃত্তি সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যাবে http://www.daad.org.uk/en/12703/index.html সাইটে।
ঢাকাস্থ জার্মান দূতাবাস: http://www.dhaka.diplo.de/
ভিসা: জার্মানীতে পড়াশোনার জন্য একক ইউরোপীয় শেঙেন ভিসা নিয়ে যাওয়াটা ঠিক হবে না। তবে দু’এক মাসের কোর্স হলে তিন মাস মেয়াদের এ শেঙেন ভিসায় যাওয়া যেতে পারে। কাজেই পুরো কোর্স করা, বা ডক্টরালের জন্য ন্যাশনাল ভিসা নিতে হবে। বৃত্তি থাকলে ভিসা পাওয়াটা সহজ হয়। তাই জার্মানীতে পড়াশোনার জন্য যেতে চাইলে বৃত্তি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা ভালো।
জার্মানীতে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বিভিন্ন প্রতিবেদন রয়েছে ডয়চে ভেলে বাংলা সাইটটিতে: http://www.dw.de/dw/0,,13795,00.html
বিশ্বের কয়েকটি দেশে পড়তে যাওয়ার তথ্য জানুন নিচের লিংক থেকে
আমেরিকায় উচ্চ শিক্ষা * ইংল্যান্ডে উচ্চ শিক্ষা * জাপানে উচ্চ শিক্ষা
কানাডায় উচ্চ শিক্ষা * ফিনল্যান্ডে উচ্চ শিক্ষা * আয়ারল্যান্ডে উচ্চ শিক্ষা 



দেখে নিন কিছু ইংরেজী (IELTS, BBC JANALA, GRE, TOEFL)শেখার সাইট!!!


সবাই নিশ্চই ভাল আছেন। আজ পুরানো কিছু আপনাদের মনে করিয়ে দিচ্ছি। ইন্‌শাল্লাহ!! আপনাদের ভাল লাগবে।
বর্তমান জীবনে পরালেখার পাশাপাশি অনেক কিছু জানতে হয়। আমরা বাংলা ভাষাভাষির মানুষ। তবে সকল ক্ষেত্রে এখন ইংরেজির ব্যবহার। তাই এখন ইংরেজিতে কথা বলতে, লিখতে বা বুঝতে না পারলে নিজেক অনেক ছোট মনে হয়। আবার অনেক কিছু হতে বঞ্চিত হতে হয়। এখন সকল ক্ষেত্রে ইংরেজির ব্যবহার। চাকরি ক্ষেত্রে, কম্পিউটারে, ইন্টারনেটে, ভার্সিটিতে, মোবাইলে ইত্যাদি। তাই আমাদের ইংরেজি জানা খুবই প্রয়োজন। বিশেষ করে যারা বাহিরে বা বিদেশে পড়ালেখা করতে চান, তাদের জন্য  তো ইংরেজী অপরিহার্য। তাই আমাদের দেশে অনেক ইংরেজী শিক্ষার প্রতিষ্ঠান আছে। যার মধ্যে IELTS, GRE, GMAT, TOEFL আরও অনেক। তবে এগুলো খুব  সহজ নয়। প্রাথমিক ভাবে সহজে শেখার জন্যও অনেক প্রতিষ্ঠান আছে। তাদের মধ্যে Sayfur's, FM ইত্যাদি। ইংরেজি শেখার বিভিন্ন সাইট ও বাংলাদেশে চালু আছে। সেগুলিই নিম্নে দেওয়া হল।
দেখে নিন এবং শিখতে থাকুন!!!
১. বি বি সি জানালা- যেখানে খুব সহজে ইংরেজী শিখতে পারবেন। এখানে দেখুন
২. ব্র্যাক এর ইংরেজী শেখার লিংক এখানে।
৩. IELTS -এর সব তথ্য পাবেন এখানে
৪. TOFEL-এর সব তথ্য পাবেন এখানে
কোন কিছু ভুল হলে মাফ করবেন। আজ এই পর্যন্তই।  আল্লাহ হাফেজ!!!

Ubuntu Ebook in Bangla



প্রকাশ হল উবুন্টু নিয়ে প্রথম বাংলা ইবুক ”সহজ উবুন্টু শিক্ষা”

 

Ubuntu, ubuntu Download, learn Ubuntu in bangla



প্রকাশিত হয়েছে উবুন্টু নিয়ে প্রথম বাংলা ইবুক ''সহজ উবুন্টু শিক্ষা''। বইটি লিখেছেন আদনান কাইয়ুম (সাইবারস্পেসে অভ্রনীল বলে পরিচিত) এবং সম্পাদনা করেছেন রেজওয়ানুর রহমান পান্থ। বইটি সম্পূর্ণ ফ্রি। ১৫২ পৃষ্ঠার এ বইতে রয়েছে ৫ টি অধ্যায়। লিনাক্স ও উবুন্টুর ইতিহাস, লিনাক্স ও উবুন্টুর মধ্যেকার সম্পর্ক, উবুন্টু কী ও কেন, ইন্সটলেশন, ব্যাবহার ইত্যাদি সকল কিছুই এখানে আলোচনা করা হয়েছে যা একজন উবুন্টু সম্পর্কে আগ্রহী ব্যাক্তিকে যথেষ্ঠ সাহায্য করবে। সবচেয়ে বড় কথা, বইটির ভাষা এতটাই প্রাঞ্জল যে বইটি পড়তে আপনি কখনই বোর ফিল করবেন না।
বইটি নিচের লিঙ্ক হতে ডাউনলোড করে নিন। সাইয ৬.৮১ এমবি।

DOWNLOAD link

https://www.dropbox.com/s/jwmnnja3ngecvu0/Shohoj%20Ubuntu%20Sikhya.zip

বইটি যিপ করে দেওয়া হয়েছে। ডাউনলোডের পর যিপ ফাইলটি আনযিপ করুন এবং বইটি উপভোগ করুন। আনযিপ করার জন্য ডাউনলোড করা ফাইলটির ওপর রাইট ক্লিক করে Extract All-এ ক্লিক করুন এবং নতুন উইন্ডো আসলে Next-এ ক্লিক করুন।

Download Sky fall [2012-Single] James Bond 007 theme songs

Download Sky fall [2012-Single] James Bond 007 theme songs

জেমস বন্ড মুভি সিরিজের সবােই কম বেশী ভক্ত । আর সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে এই মুভি Sky fall এর থিম সং। এত কন্ঠ দিয়েছে সংগীত শিল্পী Adele .আর এই থিম সংটির রয়েছে ডাউনলোডে তুমুল জনপ্রীয়তা।ডাউনলোড করুন আসছে জেমস বন্ড সিরিজের নতুন ছবি ”Sky fall “ এর Adele এর গাওয়া থিম সং।
ধন্যবাদ।

james bond, Sky fall by james bond, james bond sky fall, Download


উপকৃত হলে অবশ্যই একটা like   বা    comments দিতে ভুলবেন না যেন ।





আমার ব্লগ





 Click here
DOWNLOAD

Wednesday, October 3, 2012

C Programming A_Z in Bangla Tutorial

C programing in bangla, C program, C based language, About C, C++ etc

সি প্রোগ্রামিং শিখার A-Z বাংলা ইবুক।(না দেখলে চরম মিস।)

 

 

লিখেছেনঃ



কিছুদিন আগে ইন্টারনেটে পেয়ে যাই সি প্রোগ্রামিং শিখার চরম একটি ইবুক।বইটি সম্পূর্ণ বাংলায়।বইটি ভালমত চর্চা করে আপনিও হয়ে যেতে পারবেন একজন দক্ষ সি প্রোগ্রামার।
বইটিকে কয়েকটি ধাপে ভাগ করা হয়েছে।
1.First program
2.Data in & out
3.Conditional Logic
4.Math
5.Loop
6.Array
7.Function
8.Binery Serch
9.String
10.Prime Number
11.Array 2
12.Binery Number System
13.Programming problems
সমপূর্ণ বইটি ডাওনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন।বইটি হাইলি কম্প্রেসড।মাত্র ২.০২মেগা।